লেখাটি নন-মেডিকেল পাঠকদের জন্য পাঠকদের জন্য যাতে তারা সহজেই ক্যান্সারের অগ্রগতি,  লক্ষণসমূহ বুঝে এর প্রতিকার নিতে পারে।

ক্যান্সার কি? একরকম রোগ যাতে অস্বাভাবিক কোষ প্রায় শরীরের সব জায়গায় অনিয়ন্ত্রিতভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

টিউমার কি? নির্দিষ্ট কলাতে অস্বাভাবিক কোষ বৃদ্ধিকে টিউমার বলে।

টিউমার চারপাশের কলাতে রক্ত ও লসিকার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে পারে একে Metastasis বলা হয়। Benign টিউমার এবং Malignant টিউমার একটি জায়গাতেই গোটার মত বড় হয়ে ওঠে তবে Malignant টিউমার ছড়িয়ে পড়ে কারণ এটি Cancerous. টিউমার ছড়িয়ে পড়া যত তাড়াতাড়ি নির্ণয় করা যায় বাঁচার সম্ভাবনা তত বারে। যে কোষগুলো ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় তাদের Malignant কোষ বলা হয়।চিকিৎসা শাস্ত্রে ক্যান্সাকে Malignancy বলা হয়।

কয়েক প্রকারের ক্যান্সারঃ-
সারকোমা (Sarcoma): যোজক কলা, হাড়, পেশী এবং লসিকার ক্যান্সার।
মায়োলোমা (Myeloma): প্লাজমা কোষের ক্যান্সার যা হাড়ের মধ্যে হয়ে থাকে।
লিউকোমিয়া (Leukaemia): শ্বেত রক্ত কণিকার ক্যান্সার।
লিম্ফোমা (Lymphoma): লসিকার ক্যান্সার।
কারসিনোমা (Carcinoma): এই ক্যান্সার যেকোনো অঙ্গের পর্দা বা কলা থেকে থেকে হয়।

ক্যান্সার যে কোন কোন অঙ্গেই হয়ে থাকে তবে ত্বক, মূত্রথলি, স্তন, পরিপাক নালী, যকৃত, পাকস্থলী, পিত্তথলি এবং রক্তে বেশি হয়ে থাকে। ক্যান্সারের অগ্রগতির কারণএর আসল কারণটি অজানা তবে একটি থিওরি বলে থাকে বলে থাকে এটি দুই ধাপে হয়ে থাকে হয়ে থাকে Initiation এবং Promotion; Initiation- নতুন কোষ তৈরির সময় সময় Gene Mutation: DNA sequence- র স্থায়ী পরিবর্তন এর Altering-র জন্য হতে পারে। Promotion- Initiation-র পর অস্বাভাবিক নতুন কোষ নতুন কোষ তৈরি হতে থাকা। Initiation-র জন্য দায়ী কিছু ভাইরাস যেমন HSV, HPV তাছাড়া অতিরিক্ত বিবরণ, কিছু রাসায়নিক এবং ধাতব পদার্থ, তামাক, অপুষ্টি, হরমোন ইত্যাদি।

লক্ষণসমূহ
খাদ্য পরিপাক এবং প্রস্রাবের অভ্যাসে পরিবর্তন, কেটে গেলে রক্ত পড়া বন্ধ না হওয়া, শরীরের যে কোন ছিদ্র দিয়ে কিছু নির্গমন হওয়া, অনিয়মিত মাসিক, দীর্ঘদিন ধরে কাশি, স্তনে গর্তের মত এবং এর রং পরিবর্তন হওয়া ইত্যাদি।

প্রতিকার
এরকম যে কোন লক্ষণ দেখা লক্ষণ দিলে দ্রুত ডাক্তার দেখান। দ্রুত নির্ণয় হওয়া ভালো হওয়ার মূল চাবিকাঠি। টিউমার অপারেশন করা হয় এবং ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ থাকলে Radiation therapy বা Chemotherapy দেয়া হয়। ক্যান্সারের জন্য Radiation therapy, Chemotherapy, Immunotherapy, Gene therapy দেয়া হয়ে থাকে।

প্রতিরোধ
১) আঁশ জাতীয় খাবার খেতে হবে।
২) ভিটামিন এ এবং সি  সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।
৩) প্রচুর শাকসবজি খেতে হবে।
৪) চর্বি জাতীয় খাবার কম খেতে হবে।
৫) সিগারেট ফুসফুস ক্যান্সারের জন্য দায়ী তাই এটি পরিহার করতে হবে।
৬) প্রচুর মদ খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে।
৭) অতিরিক্ত রৌদ্র এড়িয়ে চলতে হবে।